ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু  প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা নিতে আইনি বাধা নেই এবছর পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন ফ্যামিলি কার্ডে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা ১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় মিলছে টানা ৫ দিনের ছুটি ডেঙ্গুতে ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৯০২ শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদার সাথে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর মামলায় গোলাম মহিউদ্দিনের জামিন শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না: বিমানমন্ত্রী ইনুর ১০ বছরের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এবার লালনের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

৭৫ বছর পর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া ডিক্সনের কাছে ‘ক্রিসমাস মিরাকল’

  • আপলোড সময় : ২৬-১২-২০২৪ ০৯:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-১২-২০২৪ ০৯:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
৭৫ বছর পর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া ডিক্সনের কাছে ‘ক্রিসমাস মিরাকল’
জীবনের বেশির ভাগ সময় নিজেকে এক হতভাগ্য মানুষ ভেবে এসেছেন ডিক্সন হ্যান্ডশো হাতশা। জন্মের পরপরই তাঁকে দত্তক নেওয়া হয়েছিল, জানতেন না আসল বাবা-মার পরিচয়। সাত দশকেরও বেশি সময় পর সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, তাঁর বেশ কয়েকজন ভাইবোন রয়েছে। বড়দিনের ঠিক আগে ৭৫ বছর বয়সী ডিক্সন তাঁর জীবিত ভাইবোনদের সঙ্গে দেখাও করেছেন।
বুধবার এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানিয়েছে, বড়দিনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায় বসবাসকারী ডিক্সন নিউইয়র্কের রোচেস্টারে উড়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তিনি তাঁর জীবিত ভাই-বোনদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো দেখা করেন।ডিক্সন বলেন, ‘আমি সারা জীবন কল্পনা করেছি, কোথাও আমার ভাইবোন রয়েছে। এটা আমার ক্রিসমাস মিরাকল!’

গত শনিবার ৫০ জনেরও বেশি আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করেছেন ডিক্সন। অথচ গত আগস্টের আগেও তাঁদের অস্তিত্ব সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না।দত্তক নেওয়া বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ায় এবং নিজের কোনো সন্তান না থাকায় খুব নিঃসঙ্গ ছিলেন ডিক্সন। তাই হঠাৎ করেই এত আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা হয়ে যাওয়া তাঁর কাছে এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা।ডিক্সন বলেন, ‘দেখা হওয়া মাত্রই আমাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এটা অসাধারণ ছিল। আমি কখনো এমন নিঃশর্ত ভালোবাসার অভিজ্ঞতা পাইনি, যেমনটা আমার নতুন পরিবারের কাছ থেকে পেয়েছি।’

জানা যায়, ১৯৪৯ সালে নিউইয়র্কের বাফেলোতে জন্ম নেওয়া ডিক্সনকে তিন মাস বয়সে দত্তক নেওয়া হয়েছিল। তাঁর জীবনের এই গল্প সম্পর্কে তাঁর দত্তক বাবা-মা সব সময়ই সৎ ছিলেন।তারপরও বাবা-মাকে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়ে ডিক্সন বলেন, ‘আমি সব সময় তাদের খুঁজতে চেয়েছিলাম। কিন্তু নিউইয়র্ক রাজ্য দত্তকের আগে জন্ম সনদগুলো সিল করে রেখেছিল। তাই তাঁদের খুঁজে বের করা অসম্ভব ছিল।’সিএনএন জানিয়েছে, ২০১৯ সালে একটি নতুন আইন পাস হওয়ার পর দত্তক নেওয়া নিউইয়র্কবাসীদের জন্য আসল জন্ম সনদ উন্মুক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত আগস্টে ডিক্সন তাঁর আসল জন্ম সনদ হাতে পান। তখনই তিনি তাঁর পিতার নাম রবার্ট বাড রোমিগ বলে জানতে পারেন। এ পর্যায়ে প্রথমেই তিনি তাঁর বাবার নামটি দিয়ে গুগলে সার্চ করেন। এতে বাবার ছবি সহ একটি মৃত্যুবার্ষিকীর বিজ্ঞাপন সামনে আসে তাঁর।

নিজের সঙ্গে বাবার চেহারার সাদৃশ্য দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন ডিক্সন। বিজ্ঞাপন থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁর আরও ভাই এবং এক বোন রয়েছে।ডিক্সন জানেন না কেন তাকে দত্তক দেওয়া হয়েছিল। তাঁর পিতা কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক শিক্ষার্থী ছিলেন, আর তাঁর মা ছিলেন সেই বিভাগের সেক্রেটারি।

জীবিত ভাইবোনদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য ডিক্সন প্রথমেই গ্যারি নামে একজনকে ফোন দেন। সেই গ্যারি ছিলেন আবার ডিক্সনের পিতার দত্তক নেওয়া ছেলে।ফোনকলের মুহূর্তটিতে গ্যারি কাজের বিরতিতে ছিলেন। তিনি বলেন—“আমি ফোন তুললাম আর সে বলল, ‘আমার নাম ডিক্সন। আপনি কি গ্যারি রোমিগ?’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ সে বলল, ‘আমি আপনার ভাই।’ আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। ”গ্যারি পরে অভূতপূর্ব ওই খবরটি ফোন করে অন্য সব ভাই-বোনকে জানান এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সবার মধ্যে গভীর সম্পর্ক আরও মজবুত হতে শুরু করে।

দেখা হলেও ভাই-বোনদের সঙ্গে একসঙ্গে বড়দিন কাটাতে পারেননি ডিক্সন। ফিরে এসেছেন নিজ বাড়িতে। তবে পরিকল্পনা করেছেন, আসন্ন গ্রীষ্মেই তাঁরা একসঙ্গে ক্যাম্পিংয়ে যাবেন। এ জন্য ইতিমধ্যেই তাঁরা একটি গ্রুপ চ্যাট শুরু করে দিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার

সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার